ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। এর ৫ দিন পর মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন নবনির্বাচিত সদস্যরা। গঠিত হয়েছে নতুন সরকার ও নতুন সংসদ। তবে বিরোধী দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও নেননি ক্ষমতাসীন দল বিএনপির এমপিরা।
প্রশ্ন : সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সংসদ সদস্যরা।
শাহদীন মালিক : সমাধান খুঁজতে হলে দেখতে হবে, সাধারণ মানুষ কী চায়। সাধারণ মানুষ কিন্তু জেদাজেদি চায় না। তারা চায় স্থিতিশীলতা। গত দেড় বছরের অস্থিরতার পর মানুষ এখন চায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক হবে ইত্যাদি।
শাহদীন মালিক : পত্রিকায় দেখলাম ৭০ শতাংশ এমপিই নতুন, মানে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হয়েছেন। এখান থেকেই তো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রী হয়ে সরকারে গেছেন ওনারা। তার মানে এমপিদের মতো নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরাও অনেকে নতুন। তাই নতুন মন্ত্রিপরিষদ স্বাভাবিক হতে একটু তো সময় লাগবেই।
প্রশ্ন : নতুন সংসদ কেমন হয়েছে?
শাহদীন মালিক : একই উত্তর প্রায়। তবে সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই একটা ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওনারা। খবরে দেখলাম বিরোধী দল ও সরকারি দল থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সরকারি সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না সংসদ সদস্যরা। তার মানে সদিচ্ছা থাকলে সংসদ থেকেও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।
সূত্র : খবরের কাগজ
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
