ব্রেকিং নিউজ
Home » জাতীয় » জব্দ করা সোনা থেকে ২৫ কেজি নিলামে বেচবে বাংলাদেশ ব্যাংক
জব্দ করা সোনা থেকে ২৫ কেজি নিলামে বেচবে বাংলাদেশ ব্যাংক

জব্দ করা সোনা থেকে ২৫ কেজি নিলামে বেচবে বাংলাদেশ ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক:

এক লটে ২৫ হাজার ৩১২ গ্রাম বা ২৫.৩১ কেজি সোনা নিলামের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয়। মোট দুই হাজার ১৭০ ভরি সোনা বিক্রির প্রক্রিয়াটি চলতি মাসেই শুরু হবে। নিলাম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী নিলামে অংশ নিতে সোনা ব্যবসায়ীদের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, মূসক নিবন্ধন, টিআইএন সনদ, বিআইএন সনদ, সোনা ক্রয়, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য পদ, মজুদ ও সরবরাহের লাইসেন্স, আর্থিক সচ্ছলতার বিষয়ে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সনদ, আবেদনকারী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত লিমিটেড কম্পানি হলে কম্পানির নিবন্ধন সনদ, আয়কর পরিশোধের হালনাগাদ সনদ, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন, আর্টিকল অব অ্যাসোসিয়েশন ও পরিচালকদের হালনাগাদ তালিকা জমা দিতে হবে।

পরে সংস্থাটির কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই করে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য যোগ্যদের একটি তালিকা করবে।

আগ্রহী ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে আগামী ১৪ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দুই হাজার টাকা জমা (অফেরতযোগ্য) দিয়ে দরপত্র শিডিউল ক্রয় করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য যোগ্যদের একটি তালিকা করবে। যেসব সোনার বার, অলংকার, টুকরা বিক্রি করা হবে, তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে স্বর্ণ কতটুকু খাঁটি, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠান। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একজন স্বর্ণকার বা পরীক্ষক যেতে পারবেন। এই প্রদর্শনের তৃতীয় কর্মদিবসে দরপত্র জমা দিতে হবে। সঙ্গে দরপত্রে উদ্ধৃত মূল্যের আড়াই শতাংশ অর্থ বায়না বা নিরাপত্তা জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। পরবর্তী সময়ে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ ক্রয়ের কার্যাদেশ দেওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকে সব অর্থ জমা দিতে হবে। অর্থ পরিশোধ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বর্ণ নিতে না পারলে বাংলাদেশ ব্যাংক দরদাতা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জামানত বাজেয়াপ্ত এবং প্রতিষ্ঠানটিকে কালো তালিকাভুক্ত করতে পারবে বলেও জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দেশের বিমানবন্দর, স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে অবৈধ বা চোরাচালানের সোনা জব্দ করে। দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। জব্দ করা সোনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে জমা থাকে। মামলার রায় সরকারের পক্ষে হলে জব্দ সোনা নিলামে বিক্রি করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের অস্থায়ী খাতে প্রায় দুই হাজার ৯০০ কেজি আর স্থায়ী খাতে রয়েছে ১৫৯ কেজি সোনা।

সূত্র: কালের কন্ঠ অনলাইন

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com