ব্রেকিং নিউজ
Home » জাতীয় » মৎস্য উৎপাদনে যুব সমাজকে উৎসাহিত ও সম্পৃক্ত করতে হবে: স্পিকার
মৎস্য উৎপাদনে যুব সমাজকে উৎসাহিত ও সম্পৃক্ত করতে হবে: স্পিকার
--সংগৃহীত ছবি

মৎস্য উৎপাদনে যুব সমাজকে উৎসাহিত ও সম্পৃক্ত করতে হবে: স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক:

যুব সমাজকে মৎস্য উৎপাদনে উৎসাহিত ও সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। তিনি বলেছেন, মৎস্য খাত বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। প্রতিবছর মৎস্য সপ্তাহ পালন মৎস্য সম্পদের সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং জাতীয় মৎস্য পদক মৎস্য চাষে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বাঙালি জাতির কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের সাথে সম্পর্কিত মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সকলকে কাজ করতে হবে।

রবিবার মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করেন। এরপর স্পিকারের পক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জাতীয় মৎস্য পদক-২০২১ প্রদান করেন। এ সময় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ বি তাজুল ইসলাম, সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদের অবদান ১৯৭২ সালে জাতির পিতা অনুভব করেছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে পোনা মাছ অবমুক্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে এর শুভ সূচনা করেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য উৎপাদনকে বিশেষভাবে উৎসাহিত এবং জনগণের পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য মৎস্যখাতকে গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছেন, যার সুফল জনগণ ভোগ করছে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে পরিপূরক। খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। অনেকেই প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের সাথে সংযুক্ত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। ফলে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে সাথে বেকারত্ব লাঘব হচ্ছে। মা ইলিশ রক্ষা, জাটকা নিধন রোধ, নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সরকার জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা এবং মৎস্যপণ্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করেছে। অধিকতর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের লক্ষ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় তিনটি মাননিয়ন্ত্রণ ল্যাব আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হয়েছে। জাতীয়ভাবে রেসিডিউ কন্ট্রোল প্লেন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সংসদ ভবন লেকে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস, মহাশোল, সুবর্ণ রুই, পাবদা, গুলশা, গলদা চিংড়ির মোট ৯৮৩৫টি পোনা অবমুক্ত করা হয়।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*