গতকাল সোমবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ‘জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন-২০২৩’ নামের বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।বিরোধীদলীয় সদস্য ফখরুল ইমাম বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করলেও তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
গত ১২ জুন মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিলে আরো বলা হয়েছে, প্রত্যেক নাগরিক নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্ত সাপেক্ষে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয় পরিচিতি নম্বর পাওয়ার অধিকারী হবে। এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে একজন নিবন্ধক থাকবেন। নিবন্ধক সরকারের নিযুক্ত হবেন এবং তাঁর চাকরির শর্তাদি সরকার ঠিক করবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য-উপাত্ত সংশোধনের প্রয়োজন হলে নাগরিকের আবেদনের ভিত্তিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফি প্রদান সাপেক্ষে নিবন্ধকের মাধ্যমে তা সংশোধন করা যাবে।
এ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ছাড়া কোনো নাগরিক জ্ঞাতসারে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং ওই অপরাধের জন্য এক বছর কারাদণ্ড, অনধিক ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
