দীর্ঘ ১৫ বছর পর চাকরি ফেরত পেয়েছেন ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বরখাস্ত হওয়া আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা মো. কোহিনূর মিয়া। গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) চাকরি ফেরত পান তিনি। বরখাস্তের পর থেকে বর্তমান সময় তার চাকরির মেয়াদের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সরকার তাকে বকেয়া বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা দেবে। চাকরি ফেরত পেয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন সাবেক এই ডিসি।
২০০২ সালের ২৩ জুলাই বিএনপি জোট সরকারের আমলে গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের শামসুন্নাহার হলে আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ।
পরে নান্দাইল থানা পুলিশকে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। ওই বছরই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতা রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া নারাজি দিয়ে ২০০৮ সালে জেলা জজ আদালতে একটি রিভিশন আবেদন দায়ের করেন। মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
আদালতের নির্দেশ পেয়ে মামলার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ২০১১ সালে এসপি কোহিনূর মিয়া ও নান্দাইল পৌরসভার মেয়র আব্দুস ছাত্তারের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি। ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি চাকরি থেকে বরখাস্ত হন মো. কোহিনূর মিয়া। ওই মামলায় দীর্ঘ ২০ বছর ৬ মাস আইনি লড়াই চলে। এর মধ্যে কখনো গ্রেপ্তার হননি কোহিনূর মিয়া। অবশেষে ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর কোহিনূর মিয়া ও সাবেক পৌর মেয়র আব্দুস ছাত্তার খালাস পান। খালাসের রায় দেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত দায়বা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাবরিনা আলী। পলাতক অবস্থাতেই মামলা থেকে তাকে খালাসের রায় দেন আদালত। এবার আলোচিত এ পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণের আদেশ বাতিল করে পুনর্বহাল করেছে সরকার।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
