সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেছেন, “জুলাই সনদের পক্ষে গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়লেও রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানে পার্থক্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে উচ্চকক্ষ গঠন নিয়ে মতভেদ স্পষ্ট।”
তিনি বলেন, ‘বিএনপি জুলাই সনদ দেখার পরও নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে এবং সে ইশতেহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সঙ্গে জুলাই সনদের প্রস্তাবের মিল নেই। উচ্চকক্ষ গঠন পদ্ধতি নিয়ে এই অমিল সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান।
মাসুদ কামাল বলেন, ‘আমি অন্য কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি না, শুধু উচ্চকক্ষ নিয়েই বলছি। কারণ এই উচ্চকক্ষ নিয়েই এনসিপি ও জামায়াতের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ। বিএনপি বলছে, তারা নিম্নকক্ষের আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষ গঠন করবে।
তিনি বলেন, ‘দুই-তৃতীয়াংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব যদি বিএনপি করে থাকে, তাহলে তাদের দেওয়া নির্বাচনী অঙ্গীকারই তো বাস্তবায়নের ভিত্তি হওয়া উচিত।’
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—জুলাই সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়নই কি চূড়ান্ত হবে, নাকি নির্বাচনী ইশতেহারভিত্তিক জনরায়ই হবে শেষকথা? রাজনৈতিক মহলে এখন এ বিষয়টি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
