গণ-অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের কাজ ছিল সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। তবে এই সরকার বিদেশিদের খুশি করতে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে। এটা জনগণ কিছুতেই মেনে নেবে না। চাঁদাবাজির দোহাই দিয়ে বিদেশিদের হাতে বন্দর দেওয়া যাবে না।
রাশেদ খাঁন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উপদেষ্টারা কমিশন বাণিজ্য করছে। তারাও দুর্নীতি করছে, তলে তলে সব করে যাচ্ছে। আমরা নানা ভাবে উপদেষ্টাদের কমিশন বাণিজ্যের খবর পাচ্ছি। আগামীতে যে সরকারই আসুক, এই উপদেষ্টাদের দুর্নীতির তদন্ত হবে।’
তার জন্য দোয়া করা তো দূরে থাক, খুনি হাসিনার নাম নেওয়ার মানুষ দেশে এখন নেই। বেগম খালেদা জিয়া সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক। গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রসেনানী।’
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
