কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও ভাবুক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংযোগ রয়েছে। অনেক রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে ভারতবিরোধী অবস্থান নিলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তেমন সোচ্চার ভূমিকা দেখা যায় না।’
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সঙ্গে তাদের মিল রয়েছে। আমি এটাকে ভয়ংকর অমঙ্গল সংকেত হিসেবে দেখি।
আলোচনাসভায় ফরহাদ মজহার ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘গাজায় তথাকথিত ‘স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ পাঠানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেনি জামায়াত। এতে স্পষ্ট হয়, দলটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নীতিগত সম্পর্ক রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরহাদ মজহার বলেন, বোঝা গেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জামায়াতের নীতির একটা সম্পর্ক রয়েছে। ফলে আগে থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই বক্তব্য দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বড় ভূরাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক আইন কার্যকর কোনো শক্তি হিসেবে আর টিকে নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন আচরণই আন্তর্জাতিক আইনের দুর্বলতার প্রমাণ।
আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য দেন- রাজনৈতিক বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর আহমেদ ফেরদৌস এবং কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ রোমেল।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
