আদালতে করা রিটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার দুপুর থেকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল শাবি ক্যাম্পাস। তারা সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রো ভিসিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। এদিকে, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই দাবি করে ৮ নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। শিক্ষকদের দুইটি সংগঠন পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনও করেছে।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাদ্দাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে, বিএনপিপন্থী ৮ জন শিক্ষক নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সোমবার সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. আশরাফ উদ্দিন। তিনি এ সময় অন্যান্য শিক্ষকদেরও নির্বাচনসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
তাদের সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পর দুপুর একটার দিকে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) সাস্ট চ্যাপটার এক সংবাদ সম্মেলনে শাকসু নির্বাচন আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। শিক্ষার্থীদের স্বার্থের দিকে তাকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও সহযোগিতা করবেন বলেও জানান ইউটিএল সাস্ট চ্যাপ্টারের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আগামীকাল ২০ জানুয়ারি, দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শাকসু নির্বাচন ২০২৬। আমরা ইউটিএলের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে আহ্বান করছি এই নির্বাচন করার জন্য। আমরা প্রত্যাশা করছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে আগামীকাল নির্বাচন করবে। আমরা ইউটিএল সাস্ট চ্যাপ্টারের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব, ইনশাআল্লাহ। কয়েকজন শিক্ষক অসহযোগিতার কথা বলেছেন। আমরা বলতে চাই অধিকাংশ শিক্ষক এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে।’
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
