ব্রেকিং নিউজ
Home » দৈনিক সকালবেলা » বিভাগীয় সংবাদ » খুলনা বিভাগ » কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস,আলোচনা সভা ও দোয়া মাহাফিল অনুষ্ঠিত
কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস,আলোচনা সভা ও দোয়া মাহাফিল অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস,আলোচনা সভা ও দোয়া মাহাফিল অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: আজ পনেরই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস। মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ হাজার বছরের বীর বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন উপলক্ষে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দিবসের প্রাক্কালে আজ সকালে ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাবের আব্দুর রাজ্জাক মিলনায়তনে প্রেসক্লাবের সভাপতি গাজী মাহাবুব রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহাফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে শোক দিবসের তাৎপর্য্য ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৫ আগষ্টে আততায়ীদের হাতে নিহত তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিদেহী আত্মার শান্তি এবং দেশের সমৃদ্ধি,অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল টুয়েন্টিফোর’র জেলা প্রতিনিধি শরিফ বিশ^াস এর সঞ্চালনায় বক্ত্যব রাখেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান কুমার, সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান ডাবলু, কুষ্টিয়া এডিটরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও এসএ টিভি’র জেলা প্রতিনিধি নুর আলম দুলাল, ডিবিসি ও সমকালের প্রতিনিধি সাজ্জাদ রানা, প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য দেবাশিষ দত্ত, ডালিয়া পারভীন (শিউলী)। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের কোষাধ্যÿ আবু মনি জুবায়েদ রিপন, নির্বাহী সদস্য আক্তার হোসেন ফিরোজ, আব্দুল জিহাদ, মোকাদ্দেস হোসেন সেলিম, নিজাম উদ্দিন, সুজন কুমার কর্মকার, প্রেসক্লাবের সদস্য দেলোয়ার মানিক,খাদেমুল ইসলাম,হাবিবুর রহমান হাবিব। বক্তারা সেই নির্মম ঘটনার বর্ণনায় বলেন, বাঙালি জাতির শোকের দিন। ইতিহাসের কলঙ্কিত কালো দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিল এ কলঙ্কিত অধ্যায়। ৪৫ বছর আগে এ দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল। বাঙালির মুক্তির মহানায়ক স্বাধীনতা সংগ্রাম শেষে যখন ক্ষত-বিক্ষত অবস্থা থেকে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন তখনই ঘটানো হয় ইতিহাসের নির্মম এ ঘটনা।সেদিন ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু সন্তান শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এ জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ ও মেয়ে বেবি, সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তস্বত্তাা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

About Syed Enamul Huq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*