আজ ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসস `ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রধানমন্ত্রীর’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে।
খবরটিতে বলা হয়, ‘ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিনি একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সেখানেই দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।’ একই শিরোনামে খবরটি বাসসের বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করে। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
মাসুদ রানা নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘শহীদ মিনারে কখনো ধর্মীয় আচার হয়নি। এটি ধর্মনিরপেক্ষ স্মৃতিস্তম্ভ।
মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ এর ওয়েবসাইট liberationwarbangladesh.org এ সংরক্ষিত ১৯৭২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির দৈনিক বাংলার প্রথম পৃষ্ঠায় ‘শহীদ মিনারে মোনাজাত করছেন বঙ্গবন্ধু’ ক্যাপশনে একটি ছবি পাওয়া যায়।
ছবিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মরণে মোনাজাতে অংশ নিতে দেখা যায়। অর্থাৎ স্বাধীনতার পরপরই শহীদ মিনারে মোনাজাতের ঘটনা ঘটেছে।
যেমন, ‘অমর একুশের রোজা এবং সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তিমূলকতা’ শিরোনামে গত ১৯ তারিখে প্রকাশিত প্রথম আলোর একটি লেখায় ভাষা শহীদদের জন্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকায় মোনাজাত করার কথা উল্লেখ করা হয়। সেখানে একটি ছবিতেও বেশ কিছু মানুষকে মোনাজাত করতে দেখা যায়। ছবিটির ক্যাপশন ছিল, ‘২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ : প্রথম শহীদ দিবস সকালে ছাত্র-জনতার শোক শোভাযাত্রা মেডিকেল হোস্টেল মোড়ে (যেখান থেকে গুলি চলেছিল) শহীদানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করছে।’
একই ছবি Dhaka Tribune-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে উল্লেখ আছে যে ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রার্থনা করা হয়।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
