সিলেট ব্যুরো:
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) এক ছাত্রীকে অচেতন করে শ্লীলতাহানির অভিযোগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মা. মাখলসুর রহমানকে প্রধান করে গতকাল শনিবার এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যদের বলা হয়েছে, তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে।
কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন— সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মা. সাইফুল ইসলাম এবং ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক বুলাল শিকদার।
শাবি প্রক্টর মা. মাখলসুর রহমান জানান, আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দেব। এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে। যাদেরই সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগের শুক্রবার বিকেলে ওই ছাত্রী বাদী হয়ে সিলেটের কাতায়ালি থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় নাম উল্লেখ করা হয়েছে আদনান এবং স্বাগত দাস পার্থের; এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
আদনান ও পার্থকে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ আটক করে এবং পরবর্তীতে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। তারা দুজনই শাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, আদনান নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী এবং গত জুলাইয়ে অভ্যুত্থান আদালত হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার একজন আসামি। এছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডেও তাদের যুক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেট কাতায়ালি থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পরই তাদের আটক করা হয়েছে।
দৈনিক সকালবেলা National Daily Newspaper
